ফ্রি অডিট নিন
ই-কমার্স গ্রোথ

বাংলাদেশে ইন্টারনেট ও মোবাইল ব্যবহারকারী: সর্বশেষ পরিসংখ্যান ও ব্যবসার জন্য অর্থ

বাংলাস্কেল এডিটোরিয়াল টিম প্রকাশ: ৬ মিনিট পড়া
বাংলাদেশে ইন্টারনেট ও মোবাইল ব্যবহারকারী: সর্বশেষ পরিসংখ্যান ও ব্যবসার জন্য অর্থ
সংক্ষেপে২০২৬ সালের আগস্ট মাসে বাংলাদেশে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক ১৩৭.৬৬ মিলিয়ন, যার মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক ১২২.২৬ মিলিয়ন এবং ব্রডব্যান্ড গ্রাহক ১৫.৪০ মিলিয়ন। মোট মোবাইল ফোন গ্রাহক ১৯১.০৯ মিলিয়ন এবং ৪জি গ্রাহক ১২২.৭১ মিলিয়নে পৌঁছেছে, যা মোবাইল-ফার্স্ট ব্যবসার জন্য বড় সুযোগ তৈরি করে।

মূল তথ্য সংক্ষেপে

  • ২০২৬ সালের আগস্ট মাসে বাংলাদেশে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা ১৩৭.৬৬ মিলিয়ন (BSS)।
  • একই মাসে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক ১২২.২৬ মিলিয়ন (BSS), ব্রডব্যান্ড (আইএসপি ও পিএসটিএন) গ্রাহক ১৫.৪০ মিলিয়ন (BSS)।
  • ইন্টারনেট অনুপ্রবেশের হার দাঁড়িয়েছে ৭৭.৮৯ শতাংশে (BSS)।
  • মোট মোবাইল ফোন গ্রাহক সংখ্যা ১৯১.০৯ মিলিয়ন (BSS)।
  • ৪জি গ্রাহক ১২২.৭১ মিলিয়ন, ৩জি গ্রাহক কমে দাঁড়িয়েছে ১.০৫ মিলিয়নে (BSS)।
  • মোবাইল ব্রডব্যান্ড (৩জি ও ৪জি) অনুপ্রবেশের হার ৬১.৯৪ শতাংশ (BSS)।
  • ২০২৪ সালের জুন মাসে সর্বোচ্চ ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল ১৪২.১৭ মিলিয়ন (BTRC), এরপর কিছুটা কমলেও ২০২৬ সালে আবার ঊর্ধ্বমুখী।
  • বিটিআরসি-র সংজ্ঞা অনুযায়ী, ইন্টারনেট গ্রাহক বলতে সেই সব গ্রাহক/সাবস্ক্রিপশন বোঝায় যারা গত ৯০ দিনে অন্তত একবার ইন্টারনেট ব্যবহার করেছেন (BTRC)।

প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশের ডিজিটাল বাজার গত কয়েক বছরে অনেকটাই পরিণত হয়েছে। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সর্বোচ্চ ১৪২ মিলিয়নের ঘর ছোঁয়ার পর গ্রাহক সংখ্যায় কিছুটা ওঠানামা দেখা গেলেও ২০২৬ সালের আগস্টের হিসাব বলছে—ইন্টারনেট ব্যবহারকারী আবার ১৩৭ মিলিয়নের উপরে। একই সময়ে মোবাইল ফোন গ্রাহক ১৯১ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে, অর্থাৎ সিম কার্ডের সংখ্যা জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। তবে আসল গল্পটা শুধু সংখ্যায় নয়, বরং এই সংখ্যাগুলো ব্যবসার জন্য কী সুযোগ তৈরি করছে, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।

বিটিআরসি-র সংজ্ঞা মতে, “ইন্টারনেট গ্রাহক” মানে গত ৯০ দিনে অন্তত একবার ইন্টারনেট ব্যবহার করেছেন—এমন সাবস্ক্রিপশন। তাই দৈনিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা এর চেয়ে কম হতে পারে। আর সেই অনলাইন অভিজ্ঞতার সিংহভাগই ঘটছে মোবাইলের মাধ্যমে।

ইন্টারনেট গ্রাহক: সামগ্রিক চিত্র

২০২৬ সালের আগস্টে বাংলাদেশে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক দাঁড়িয়েছে ১৩৭.৬৬ মিলিয়নে (BSS)। এই প্রবৃদ্ধির পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে মোবাইল ইন্টারনেট—একই সময়ে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক বেড়েছে ৮.০৪ মিলিয়ন, পৌঁছেছে ১২২.২৬ মিলিয়নে (BSS)।

বিটিআরসি-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুন মাসে মোট ইন্টারনেট গ্রাহকের রেকর্ড ছিল ১৪২.১৭ মিলিয়ন (BTRC)। এরপর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তা নেমে আসে ১৩১.১০ মিলিয়নে, ২০২৫ সালের মার্চে ১৩০.৪৭ মিলিয়ন, এপ্রিলে ১৩০.৮৬ মিলিয়ন (BTRC)। অর্থাৎ ২০২৪-এর শীর্ষ থেকে কিছুটা পতন ঘটলেও ২০২৬ সালে আবার তা পুনরুদ্ধারের পথে। এই ওঠানামার পেছনে সিম ভেরিফিকেশন, নিষ্ক্রিয় সাবস্ক্রিপশন বাদ পড়া, কিংবা অর্থনৈতিক চাপের মতো কারণ থাকতে পারে। তবে বর্তমান গতি বলছে, ডিজিটাল সংযোগ আবার সম্প্রসারিত হচ্ছে।

ইন্টারনেট অনুপ্রবেশের হারও একই গল্প বলে: ২০২৬ সালের আগস্টে তা ৭৭.৮৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা জানুয়ারির ৭৩.২৮ শতাংশ থেকে স্পষ্ট উন্নতি (BSS)।

মোবাইল ইন্টারনেট বনাম ব্রডব্যান্ড

বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারের চরিত্র মোবাইল-কেন্দ্রিক। আগস্ট ২০২৬-এ মোট ইন্টারনেট গ্রাহকের মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেটের অংশ ১২২.২৬ মিলিয়ন, আর ব্রডব্যান্ড (আইএসপি ও পিএসটিএন) গ্রাহক ১৫.৪০ মিলিয়ন (BSS)। অর্থাৎ প্রায় ৮৯% ইন্টারনেট ব্যবহারই মোবাইলের মাধ্যমে। ব্রডব্যান্ডও ধীরে ধীরে বাড়ছে—জানুয়ারির ১৪.৭৭ মিলিয়ন থেকে বেড়ে ১৫.৪০ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু গতির তুলনায় মোবাইলের রাজত্বই স্পষ্ট।

প্রযুক্তির দিক থেকে ৪জি এখন একক আধিপত্যে। আগস্টে ৪জি গ্রাহক সংখ্যা ১২২.৭১ মিলিয়ন, যা জানুয়ারির ১১৩.৪৯ মিলিয়ন থেকে বড় লাফ (BSS)। একই সময়ে ৩জি গ্রাহক কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১.০৫ মিলিয়নে, জানুয়ারিতে ছিল ২.১২ মিলিয়ন (BSS)। এর মানে, বাংলাদেশের মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এখন উচ্চগতির সংযোগে অভ্যস্ত, এবং ভিডিও কনটেন্ট, লাইভ শপিং, বা ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যাড ফরম্যাটের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যান্ডউইথ তাদের হাতে রয়েছে।

মোবাইল ব্রডব্যান্ড (৩জি ও ৪জি মিলিয়ে) অনুপ্রবেশের হার ৬১.৯৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে (BSS)। জানুয়ারিতে এই হার ছিল ৫৭.৭০ শতাংশ। যেকোনো ই-কমার্স বা এফ-কমার্স ব্যবসার জন্য এটি একটি বড় সুবিধা—গ্রাহকরা প্রোডাক্ট ইমেজ, ভিডিও রিভিউ, এমনকি লাইভ ডেমোও সহজেই দেখতে পারেন।

মোবাইল ফোন গ্রাহক: বাজার কত বড়

মোবাইল ফোন গ্রাহক সংখ্যা ইন্টারনেট গ্রাহকের চেয়েও বড়। ২০২৬ সালের আগস্টে মোট মোবাইল গ্রাহক দাঁড়িয়েছে ১৯১.০৯ মিলিয়নে (BSS)। জুলাই মাসে এই সংখ্যা ছিল ১৯০.৪৪ মিলিয়ন (AMTOB), আগস্টে আরও বেড়েছে।

মজার ব্যাপার হলো, মোট মোবাইল গ্রাহক ১৯১.০৯ মিলিয়ন হলেও ইন্টারনেট গ্রাহক ১৩৭.৬৬ মিলিয়ন। অর্থাৎ প্রায় ৫৩ মিলিয়নের বেশি মোবাইল সিম এখনও ইন্টারনেট ব্যবহার করছে না (অন্তত গত ৯০ দিনে একবারও নয়)। এই ব্যবধানটাই ব্যবসার জন্য সম্ভাবনাময়—যারা এখনও ডিজিটালি পুরোপুরি সক্রিয় নন, তাদের অনলাইনে আনার সুযোগ রয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো, অনেকের কাছে ফোন থাকলেও ইন্টারনেট প্যাকেজ কেনার সামর্থ্য বা প্রয়োজনীয়তা সীমিত। তাই বিজ্ঞাপন বা কনটেন্ট এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে কম ডেটা খরচেও মূল মেসেজ পৌঁছে যায়।

ব্যবসার জন্য এর মানে কী

এই পরিসংখ্যান শুধু বড় বড় সংখ্যা নয়—এগুলো বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবসার ভিত গড়ে দেয়। ব্যবহারিক দৃষ্টিকোণ থেকে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কার:

মোবাইল-ফার্স্ট চিন্তা করুন। ৮৯% ইন্টারনেট ব্যবহার মোবাইলে, তাই আপনার ওয়েবসাইট, ল্যান্ডিং পেজ, বিজ্ঞাপন ক্রিয়েটিভ—সবই মোবাইলের ছোট স্ক্রিনের জন্য অপটিমাইজড হতে হবে। ফেসবুক পেজের মাধ্যমে অর্ডার নেওয়া, মেসেঞ্জারে যোগাযোগ, এবং মোবাইল-বান্ধব চেকআউট প্রক্রিয়া এখন আর বিলাসিতা নয়, প্রয়োজন। যারা এখনো শুধু ডেস্কটপ ভেবে ডিজাইন করেন, তারা বড় একটি অংশকে হারাচ্ছেন।

৪জি মানেই ভিডিওর জমানা। ১২২ মিলিয়নের বেশি ৪জি গ্রাহক, এবং ৩জি প্রায় শেষের পথে। এর অর্থ, আপনার টার্গেট গ্রাহক এখন ভিডিও দেখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। ফেসবুক ও টিকটক অ্যাডসে ছোট ভিডিও, প্রোডাক্ট ডেমো, কিংবা গ্রাহক রিভিউ ভিডিও আগের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর হবে। তবে খেয়াল রাখবেন, ভিডিও যেন দ্রুত লোড হয় এবং অতিরিক্ত ডেটা না খায়—অনেক ব্যবহারকারী এখনো সীমিত ডেটা প্যাকেজে চলে।

** বিটিআরসি-র সংজ্ঞা মনে রাখা জরুরি: ৯০ দিনে একবার ব্যবহার করলেই গ্রাহক হিসেবে গণ্য। তাই দৈনিক সক্রিয় ব্যবহারকারী সংখ্যা নিশ্চয়ই কম। ব্যবসার জন্য এর মানে, রিমার্কেটিং ও নিয়মিত কনটেন্টের মাধ্যমে গ্রাহককে বারবার টাচপয়েন্টে আনা জরুরি। শুধু একবার ভিজিট করেই বিক্রি আশা না করে, ইমেইল, মেসেঞ্জার, বা পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবসা শুরু ও লাভজনকভাবে চালানোর গাইড আপনাকে একটি কাঠামো দিতে পারে।

ক্যাশ অন ডেলিভারি (COD) ও মোবাইল পেমেন্টের বাস্তবতা। ইন্টারনেটে আসা মানেই কার্ড পেমেন্টে স্বাচ্ছন্দ্য নয়। বাংলাদেশের ই-কমার্সের বড় অংশ এখনো ক্যাশ অন ডেলিভারি এবং বিকাশ/নগদের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের ওপর নির্ভরশীল। তাই আপনার বিক্রয় প্রক্রিয়ায় এই অপশনগুলো রাখা আবশ্যক। একইসঙ্গে, ফেসবুক অ্যাডস চালানোর সময় পিক্সেল ও কনভার্সন ট্র্যাকিং ঠিকমতো সেটআপ না থাকলে আপনি জানতেই পারবেন না কোন অ্যাড থেকে কতগুলো COD অর্ডার আসছে। ফেসবুক অ্যাডস দিয়ে বিক্রি বাড়ানোর পূর্ণ গাইড এই জায়গায় হাতে-কলমে দিকনির্দেশনা দেয়।

ডেটার মান বোঝা জরুরি। ২০২৪ সালের জুনে ১৪২ মিলিয়ন থেকে কমে ২০২৫-এ ১৩০ মিলিয়নে নামা, তারপর আবার ২০২৬-এ ১৩৭ মিলিয়নে ওঠা—এই ওঠানামা বলে দেয়, শুধু একটি মাসের সংখ্যা দেখে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। সঠিক ট্র্যাকিং ছাড়া আপনি বুঝতেই পারবেন না আপনার বিজ্ঞাপনের রিটার্ন আসলে কেমন। সার্ভার-সাইড ট্র্যাকিং ও কনভার্সনস এপিআই সেটআপ করলে মোবাইল ব্রাউজার বা অ্যাপের সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে নির্ভুল ডেটা পাওয়া যায়। সার্ভার-সাইড ট্র্যাকিং ও Conversions API: বাংলাদেশি ব্যবসার জন্য সহজ গাইড এই বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেবে।

বাংলাস্কেল কীভাবে কাজে লাগায়

বাংলাস্কেল এই বাস্তবতাকে মাথায় রেখেই কাজ করে। আমরা বাংলাদেশের ই-কমার্স ও এফ-কমার্স ব্র্যান্ডগুলোর জন্য পারফরম্যান্স মার্কেটিং চালাই—ফেসবুক, গুগল, টিকটক বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে সার্ভার-সাইড ট্র্যাকিং সেটআপ পর্যন্ত। আমাদের গ্রোথ প্রোগ্রাম-এর আওতায় আমরা প্রথমে আপনার অ্যাড অ্যাকাউন্ট, ট্র্যাকিং সেটআপ ও ক্রিয়েটিভ স্ট্র্যাটেজি অডিট করি, তারপর ডেটা-চালিত সিদ্ধান্তে বিজ্ঞাপন চালাই।

পদ্ধতি ও সূত্র

এই প্রতিবেদনের সব সংখ্যা সরকারি ও শিল্প-সংশ্লিষ্ট প্রকাশ্য উৎস থেকে নেওয়া হয়েছে। তথ্যগুলো ৬ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে সরাসরি ওয়েবসাইট থেকে যাচাই করা হয়েছে। কোনো অনুমান, পূর্বাভাস বা তৃতীয় পক্ষের হিসাব যোগ করা হয়নি। যেখানে একই সময়ের জন্য একাধিক সূত্রে তথ্য পাওয়া গেছে, সেখানে জাতীয় সংবাদ সংস্থা বা নিয়ন্ত্রক সংস্থার সর্বশেষ প্রকাশিত সংখ্যা ব্যবহার করা হয়েছে।

সূত্রসমূহ:

সাধারণ জিজ্ঞাসা

২০২৬ সালের আগস্টে বাংলাদেশে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক কত ছিল?

২০২৬ সালের আগস্টে বাংলাদেশে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল ১৩৭.৬৬ মিলিয়ন।

মোবাইল ফোন গ্রাহক সংখ্যা ২০২৬ সালের আগস্টে কত?

মোবাইল ফোন গ্রাহক সংখ্যা ছিল ১৯১.০৯ মিলিয়ন।

ইন্টারনেট অনুপ্রবেশের হার কত ছিল?

ইন্টারনেট অনুপ্রবেশের হার ছিল ৭৭.৮৯ শতাংশ।

কোন প্রযুক্তি মোবাইল ইন্টারনেটে আধিপত্য করছে?

৪জি গ্রাহক ১২২.৭১ মিলিয়নে পৌঁছেছে, যেখানে ৩জি গ্রাহক কমে ১.০৫ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে।

ফ্রি চেকলিস্ট · ২৪ পয়েন্ট

দেশীয় উদ্যোক্তা লঞ্চ চেকলিস্ট — অনলাইন ব্যবসা শুরুর আগে

অনলাইন ব্যবসা শুরু করার আগে যা যা গুছিয়ে নিতে হবে — প্রোডাক্ট, প্রাইসিং ও মার্জিন, ডেলিভারি ও COD, পেজ সেটআপ, ট্র্যাকিং আর প্রথম অ্যাড ক্যাম্পেইন।

  • প্রাইসিং ও মার্জিনের সহজ হিসাব
  • ডেলিভারি, COD ও রিটার্ন প্ল্যান
  • পেজ, ওয়েবসাইট ও ট্র্যাকিং সেটআপ
  • প্রথম ৩০ দিনের মার্কেটিং প্ল্যান

আমরা স্প্যাম করি না। আপনার তথ্য প্রাইভেসি পলিসি অনুযায়ী সুরক্ষিত। প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাস্কেল এডিটোরিয়াল টিম · পারফরম্যান্স মার্কেটিং টিম

৫০+ বাংলাদেশি ব্র্যান্ডের সাথে কাজ করা বাংলাস্কেলের মার্কেটিং টিম। প্রতিটি লেখা বাস্তব ক্যাম্পেইনের অভিজ্ঞতা ও ডেটার ভিত্তিতে তৈরি এবং টিমের একজন সদস্য রিভিউ করে প্রকাশ করেন।

শুরু করুন আজই

আপনার ব্যবসার গ্রোথ জার্নি শুরু করুন

একটি ফ্রি অডিট দিয়ে শুরু করুন, অথবা সরাসরি আমাদের সাথে কথা বলুন। কোথায় বাজেট নষ্ট হচ্ছে আর কীভাবে স্কেল করবেন — পরিষ্কার পরিকল্পনা আমরা সাজিয়ে দেব।